বিজ্ঞান ও বিস্ময়

পৃথিবীর প্রায় সমতুল্য গ্রহের সন্ধান

 

এবার মহাশূন্যে পৃথিবীর প্রায় সমকক্ষ গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এ পর্যন্ত পৃথিবীর সঙ্গে মিল রয়েছে এমন যত গ্রহ আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা, তার মধ্যে নতুন এই গ্রহটির সঙ্গে সাদৃশ্য সবচেয়ে বেশী বলে জানিয়েছে নাসা। পৃথিবী থেকে আয়তনে কিছুটা বড় এই গ্রহের নাম কেপলার ১৮৬এফ। এর তাপমাত্রাও পৃথিবীর তুলনায় কিছুটা কম। তবু ১৮৬এফ-এর গঠন ও অবস্থান বিচার করে সেখানে পানি থাকার সম্ভাবনা প্রবল বলে মনে করছে নাসা। যদিও পৃথিবী থেকে ৫০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এই গ্রহে আদৌ প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কি না, তা এখনই বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

ভূপৃষ্ঠে কৃত্রিম উপায়ে বৃষ্টি নামানোর পদ্ধতি উদ্ভাবন

তীব্র গরমে এক পশলা বৃষ্টির প্রতীক্ষায় থাকেন অনেকেই। বৃষ্টির জন্য যেমন ফসলহানি হয়, তেমনি রোগ-ব্যাধিও বৃদ্ধি পায়। তাতে যেমন দুর্ভোগ বাড়ে তেমনি দেখা দেয় মৃত্যুঝুঁকিও। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অব অপটিকস অ্যান্ড ফোটোনিকস ও অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন যে, তারা এমন একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন যাতে কৃত্রিম উপায়ে বৃষ্টি নামানো সম্ভব হবে। মেঘের মধ্যে থাকা কণাগুলোকে লেজারের মাধ্যমে উদ্দীপ্ত করে বজ্রপাত ও ঝড়বৃষ্টি তৈরী করতে পারবেন বলেই গবেষকেরা দাবী করেছেন।

দেশে তৈরী হ’ল সৌরশক্তি চালিত রিকশা

চালকদের সুবিধা এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কথা চিন্তা করে সরকারী অনুদানে উদ্ভাবন করা হয়েছে মাইক্রোকন্ট্রোলার সিস্টেম সৌরশক্তিচালিত রিকশা। হুডের উপরে থাকা সৌর প্যানেল থেকে বিদ্যুৎ তৈরী করে চলবে এ রিকশা। রিকশাচালকদের সুবিধা এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কথা চিন্তা করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. এম শামীম কায়ছার ও মিলিটারী ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) প্রভাষক আবু রায়হান ছিদ্দীক সরকারী অনুদানে উদ্ভাবন করেছেন মাইক্রোকন্ট্রোলার সিস্টেম সৌরশক্তিচালিত এ রিকশা।

মাইক্রোকন্ট্রোলার দিয়ে রিকশার একটা নির্দিষ্ট গতিও নির্ধারণ করে দেয়া হবে, যাতে চালক ইচ্ছা করলেও বেশী গতি তুলতে না পারে। এটি টানা ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা চালানো যাবে। এছাড়া এতে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ চাকা ও আধুনিক ব্রেক, যা দুর্ঘটনা এড়াতে সহায়তা করবে। তাছাড়া শীত ও বর্ষাকালের আবহাওয়ার বিপর্যয়ের কথা মাথায় রেখে যরূরী অবস্থায় বিদ্যুতের মাধ্যমে ব্যাটারী চার্জ দেয়ার সুবিধা রাখা হয়েছে। ফলে যরূরী প্রয়োজনে সৌরশক্তির পাশাপাশি প্রচলিত পদ্ধতিতেও ব্যাটারী চার্জ করা যাবে। কিন্তু বিদ্যুতে নিয়মিত চার্জ দিলে খুব দ্রুত ব্যাটারী নষ্ট হয়। ফলে চালকরা নিজের স্বার্থেই যরূরী প্রয়োজন ছাড়া বিদ্যুতের আশ্রয় নেবেন না বলে জানিয়েছেন আবু রায়হান ছিদ্দীক।

উল্লেখ্য, এ বছরের মাঝামাঝিতেই এ রিকশার বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ড. শামীম বলেন, সৌরশক্তিচালিত এ রিকশা উৎপাদন খরচ ৬০-৭০ হাযার টাকা হ’তে পারে।