কবিতা


রামাযানের চাঁদ

আতিয়ার রহমান
মাদরা, সোনাবাড়িয়া, সাতক্ষীরা।

উঠল আজি পশ্চিমেতে
রামাযানের ঐ নতুন চাঁদ,
মিটিয়ে নিবে মুমিনগণের
লক্ষ পাপের ইমারাত।
নাই মোটে তাই দুঃখ-ব্যথা
সুখ সাগরে দেয় সাঁতার,
আটকা পেল শয়তানেরা
সব পাতকের রুদ্ধ দ্বার।
থাকবে না আর এই ধরাতে
পঙ্কিলতার ভয়-ভীতি,
মুছবে মনের সব কালিমা
আর হবে না ক্ষয়ক্ষতি।
আল্লাহ ছাড়া কারোর কাছে
করব না আর শির নত,
পাক কালেমার বাস্তবতা
চলব ক্ষতি হউক যত।
আজ হরষের উঠল তুফান
মিটল মনের শংকা ভয়,
বন্দেগীতে মন ডুবিয়ে
ফেরদৌসকে করব জয়।
শেষ দিবসে আল্লাহ্র দেওয়া
লইব ইনাম হাত পেতে,
রাইয়ান নামক তোরণ দিয়ে
ঢুকব মোরা জান্নাতে।
জাহান্নামের সব দরজা
বন্ধ হ’ল রামাযানে,
তাই তো খুশীর উঠল তুফান
ফুর্তি হরষ সবখানে।
সব ভরসা নাই নিরাশা
আজকে খুশীর মাসটাতে
আল্লাহ্র দেওয়া ওয়াদাগুলো
পূর্ণ হবে শেষটাতে।

ছিয়ামের দাওয়াত

আবুল কাসেম
 গোভীপুর, মেহেরপুর।

রামাযানের ঐ চাঁদ উঠেছে
এলো রহমত নিয়ে,
ছিয়াম পালন করতে হবে
গুনাহ যাবে ক্ষয়ে।
ভোরের রাতে মুয়ায্যিন ডাকে
সময় হ’ল ওঠরে,
সাহারী খাও ছিয়ামকারী
ছালাত আদায় কর ফজরে।
আল্লাহ মোদের দান করেছেন
রহমতের একটি মাস,
ছালাত পড় ছিয়াম কর
হবে না কভু নিরাশ।
ছিয়ামকারীর বিনিময় দিবেন
আল্লাহ নিজ হাতে,
সেদিন তোমরা লাভ করবে
আমলনামা ডান হাতে।
হাযার মাসের চেয়ে উত্তম
ক্বদরের ঐ একটি রাত,
তোমরা যদি নিতে পার
জাগো শেষের দশটি রাত।
ছালাত পড়, ছাদাক্বা কর
মনে রেখ এক আশা,
আল্লাহ্র কাছ পাবে তোমরা
প্রতিদান ভালবাসা।

আনন্দময় রামাযান

আলী হোসাইন সাদ্দাম
পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট, দিনাজপুর।

তোমার অপেক্ষায় ছিলাম এগার মাস
অবশেষে তুমি এলে,
তোমায় নিয়ে ব্যস্ত হ’লাম
সব কর্ম ফেলে।
তারাবীহ, সাহারী, ছিয়াম ইফতারে
বড়ই ফযীলত
আল্লাহ্র হাতে পাব পুরস্কার
যেদিন কিয়ামত।
এই খুশিতে সবাই মিলে
ইবাদতে লিপ্ত,
রামাযানের রহম মেখে
সবাই মোরা দীপ্ত।

এটা কেমন আধুনিকতা

মুহাম্মাদ মাশরেকুল আনোয়ার
মীম মেডিসিন কর্ণার, সাভার, ঢাকা

এটা কেমন আধুনিকতা প্যান্ট থাকে না মাজায়
লাল দু’টি ঠোট বেজায় কালো খাইছে তারে গাঁজায়।
বসতে গেলে প্যান্ট ফাটে তাই প্রস্রাব করে দাঁড়িয়ে
আধুনিকতার ছোঁয়ায় রাস্তার ডগকে গেছে ছাড়িয়ে।
মাজা মরা তবু বীর বাহাদুর শার্টের বোতাম খোলা
মহল্লার মাস্তান ও চাঁদাবাজ বাপের সাধু পোলা।
ছেলে তো নয় হাফ লেডিস মাথায় লম্বা চুল
কণ্ঠে মালা হস্তে ব্রেসলেট কানে ঝুলছে দুল।
রাস্তা ঝাড়ু দেওয়ার কাজটা প্যান্ট লুঙ্গিতেই সারে
সকাল-সন্ধ্যায় সিগারেটে জোরে সুকটান মারে।
আধুনিকতার জোয়ারে ভাসছে পুরুষ ও নারী
আকর্ষণীয় অঙ্গ ঢাকে না তারা পরলেও উড়না শাড়ী।
মাথা ও বুক থাকে খালি উড়না প্যাঁচায় গলায়
প্যান্ট ও শার্ট পরে আল্ট্রা মর্ডান অঙ্গভঙ্গি চলায়।
বব কাটা কালো কেশে মাখে কালার বা মেহেদী।
স্টাইল দেখে চেনা মুশকিল মুসলিম নাকি ইহুদী।
পাশ্চাত্যের বেহায়া বর্বরতায় ছেয়ে গেছে দেশ।
ধনে জনে উন্নয়ন আসলেও মুসলমানি হচ্ছে শেষ।

***