বিজ্ঞান ও বিস্ময়

বাজারে আসছে মাইক্রোসফটের স্মার্ট ঘড়ি

ট্যাব, স্মার্টফোনও এবার পুরনো হ’তে চলেছে। কারণ খুব তাড়াতাড়িই ‘মাইক্রোসফট’ বাজারে আনতে যাচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরী তাদের নতুন স্মার্ট ওয়াচ। এই স্মার্ট ঘড়িতে বেশ কিছু ফিটনেস ফিচারসও থাকবে। তার মধ্যে অন্যতম হ’ল হৃদস্পন্দনের গতিবিধির হিসাব রাখা। এমনকি এই ঘড়িটি অন্যান্য স্মার্ট ফোনের সঙ্গেও সিংক্রোনাইজ করা যাবে। মার্কেট ট্রাকার আইডিসি-র মতে ২০১৮ সালের মধ্যে পরিধানযোগ্য টেক আইটেমের চাহিদা বেড়ে যাবে বেশ কয়েকগুণ। চলতি অর্থ বছরেই সারা পৃথিবী জুড়ে তা বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১৯ লাখ ইউটিনে। এমনও শোনা যাচ্ছে, মাইক্রো সফটের দেখাদেখি অ্যাপেলও আই ওয়াচ আনতে পারে বাজারে।

স্কাইপে আপনার বাংলা কথা বিদেশী বন্ধু শুনতে পাবেন ইংরেজিতে

ওয়েব ক্যামের সামনে বসে আপনি কথা বলে চলেছেন নিজের ভাষায়। যার সঙ্গে কথা বলছেন, তিনি শুনছেন তার ভাষায়। এইভাবেই এখন কথা বলা যাবে স্কাইপে। মঙ্গলবার কোড টেকনোলজি কনফারেন্সে মাইক্রোসফটের এই ট্রান্সলেটরের কথা ঘোষণা করেছেন স্কাইপের ভাইস প্রেসিডেন্ট গুরদীপ প্যাল। ইংরেজি ও জার্মান ভাষায় এই পরীক্ষা চালানো হয়। একটা বাক্য ইংরেজিতে বলার পর তা স্কাইপ নিজে থেকেই জার্মান ভাষায় অনুবাদ করে নেয়। মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাডেলা বলেন, যেদিন থেকে মানুষ কথা বলতে শিখেছে ভাষার প্রাচীর ভাঙতে চেয়েছে। যদিও এই সুবিধা বিনামূল্যে মিলছে না। অন্যদিকে গুরদীপ জানান, প্রথমে উইন্ডোজ এইটের বিটা অ্যাপ হিসাবে আসবে এই ট্রান্সলেটর।

চাঁদেও পাওয়া যাবে ইন্টারনেট!

চাঁদেও পাওয়া যাবে ইন্টারনেটের ব্রডব্যান্ড সংযোগ। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, সম্প্রতি একদল মার্কিন বিজ্ঞানী এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তারা এমন একটি মডেম আবিষ্কার করেছেন, যা চাঁদে ব্রডব্যান্ড সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট যোগাযোগ স্থাপনে সক্ষম। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি)-এর একদল গবেষক এ কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছেন। তারা জানান, আকাশপথে চাঁদে ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে যেতে কোন বাধা নেই। কেবল তাই-ই নয়, বৃহদাকার ডাটা পারাপারের পাশাপাশি হাই-ডেফিনেশন ভিডিও সম্প্রচারও করা যাবে সেখানে।

পৃথিবীর চেয়ে বড় পাথুরে গ্রহ আবিষ্কার

সৌরজগতের বাইরে নতুন একটি পাথুরে গ্রহের খোঁজ মিলেছে৷ এটি আকারে পৃথিবীর দ্বিগুণেরও বেশি৷ ওজন পৃথিবীর তুলনায় অন্তত ১৭ গুণ৷ যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির সভায় জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এ তথ্য জানিয়েছে। ‘বিশালকায় গ্রহটি’র নাম কেপলার-টেন সি৷ এটির অবস্থান পৃথিবী থেকে প্রায় ৫৬০ আলোকবর্ষ দূরে৷ সেখানে ড্রাকো নক্ষত্রমন্ডলে একটি অতি পুরোনো নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে কেপলার-টেন সি৷ গ্রহটি ২৯ হাযার কিলোমিটার চওড়া৷ গ্রহটির উৎপত্তির ধরন সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা এখনো জানতে পারেননি৷ মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (নাসা) মহাকাশ পর্যবেক্ষণকারী কেপলার দূরবীক্ষণযন্ত্রে বিশালকায় ঐ গ্রহের উপস্থিতি ধরা পড়ে৷