স্বদেশ-বিদেশ

স্বদেশ

ইসলামিক জঙ্গী বলতে কিছু নেই, এটা সাম্রাজ্যবাদী অপপ্রচার

-প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইসলামিক জঙ্গী বলতে কিছু নেই। চরমপন্থী জঙ্গীদের কোন ধর্ম নেই, কোন ভৌগোলিক সীমানা নেই। এদের ধর্ম সন্ত্রাস। সারা পৃথিবী এদের ভৌগোলিক সীমানা। এসব জঙ্গীদের কোন জাতিগত বা ধর্মগত পরিচয়ের মধ্যে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। এদের ইসলামিক জঙ্গী ও সন্ত্রাসী হিসাবে অভিযুক্ত করা ঠিক নয়। তাদের অপকর্মের জন্য কোন ধর্মকে দায়ী করা যাবে না। প্রধানমন্ত্রী গত ২৮শে এপ্রিল মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় এসব কথা বলেন বলে জানা গেছে।

[ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীকে। তবে তিনি সর্বাগ্রে তাঁর মন্ত্রীদের ঠিক করুন। যাদের কেউ কেউ প্রকাশ্যে বলেন, ‘দেশের মাদরাসাগুলি সব জঙ্গী প্রজনন কেন্দ্র’ (স.স.)]

জর্ডানে আন্তর্জাতিক হিফযুল কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশী হাফেযার সাফল্য

জর্ডানের রাজধানী আম্মানে আন্তর্জাতিক হিফযুল কুরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ৫০টি দেশের হাফেযাদের মধ্যে বাংলাদেশী হাফেযা রাফিয়া হাসান জিনাত ৩য় স্থান অধিকার করেছে।  গত ৩০ এপ্রিল  থেকে ১০ মে পর্যন্ত জর্ডানের আম্মানে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। গত ৯ মে আম্মানের একটি অভিজাত হোটেলে এ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেযাদের মাঝে পুরস্কার ও সার্টিফিকেট বিতরণ করেন জর্ডানের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

হাফেযা রাফিয়া হাসান জিনাত নেছার আহমাদ আন-নাছিরী কর্তৃক পরিচালিত ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে অবস্থিত ‘মারকাযুত তাহফীয ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদরাসা’য় অধ্যয়নরত ছাত্রী। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে একই প্রতিযোগিতায় অত্র প্রতিষ্ঠানের আরেক ছাত্রী হাফেযা ফারিহা তাসনীম ৪৩টি দেশের মধ্যে ১ম স্থান অর্জন করেছিল।

পিরোজপুরের সাবিবর খানের অগ্নিনির্বাপণের স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি আবিষ্কার

আবহাওয়ার তাপমাত্রা ৫০ থেকে ৬০ ডিগ্রী সেলসিয়াস অতিক্রম করলে প্রথমত: স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি সুইচ অন হয়ে বৈদ্যুতিক এলার্ম বাজবে এবং বিপদ সংকেত দিতে লাল বাতি জ্বলে উঠবে। দ্বিতীয়ত: তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে যখন ৮০ ডিগ্রী সেলসিয়াস হবে তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরেকটি সুইচ অন হয়ে একটি মর্টরের সাহায্যে সিলিন্ডারে রাখা গ্যাসের নির্গমন মুখ খুলে গিয়ে মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয় এমন ডাইব্রোমো ক্লোরো মিথেন নামক গ্যাস নির্গত হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করবে। তারপরেও যদি আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসে এবং ভবনের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে পৌঁছে যায় তখন অন্য একটি সার্কিট স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস অফিসে কল করবে এবং দুর্ঘটনাকবলিত স্থানের ঠিকানা ও অবস্থান নিশ্চিত করে সাহায্য কামনা করবে, যাতে ফায়ার সার্ভিস অফিস অগ্নিনির্বাপণে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারে। অগ্নিনির্বাপণে এমনই এক নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপযেলার আমানউল্লাহ মহাবিদ্যালয়ের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী সাবিবর খান।

এ নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে চাইলে মোঃ সাবিবর খান বলেন, আগুনে পুড়ে হাযারো মানুষের প্রাণহানি দেখে এ থেকে পরিত্রাণের কোন পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা করতে করতে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় এই যন্ত্রটি আবিষ্কার করে ফেলি। এখন সরকারী বা বেসরকারী কোন প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা পেলে আমার আবিষ্কারটি কাজে লাগাতে পারতাম।

বিদেশ

সর্ববৃহৎ অর্থনীতির দেশ হ’তে যাচ্ছে চীন

এশিয়ার উদীয়মান শক্তি চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে পিছনে ফেলে ঐ স্থানটির দখল নিতে যাচ্ছে বলে সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের তত্ত্বাবধানে ‘আইপিসি’ পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে। সম্প্রতি ব্রিটেনের দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে জরিপের তথ্যের ভিত্তিতে এমন আভাস পাওয়া যায়। আইপিসির পর্যবেক্ষকরা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বনাম চীনের অর্থনীতির তুলনামূলক চিত্রে দেখা যায়- ২০০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীনের অর্থনীতির আকার ছিল ৪৩ শতাংশ। তবে ২০১১ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৭ শতাংশে। প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এখনও বিশ্বের সর্ববৃহৎ অর্থনীতির দেশ হিসাবেই আছে। তবে ক্রয় ক্ষমতার  বিচারে  দেশ  দু’টির  অবস্থান  কাছাকাছি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আইএমএফ-ও ২০১১ থেকে ২০১৪ সালের প্রবৃদ্ধির বিচারে চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে এগিয়ে রেখেছে।

[বেশ তো! পুঁুজিবাদ আর সমাজবাদ এখন একাকার হয়ে গেল। তাহ’লে মাওসেতুং-য়ের নেতৃত্বে বিপ্লব করে ১ কোটি ৩৭ লক্ষ মানুষ হত্যা করে সমাজতন্ত্র কায়েমের কি প্রয়োজন ছিল? ঐসব রক্তের কৈফিয়ত নেতারা কি দিবেন? অন্যদিকে আমেরিকায় ৯৯% মানুষের রক্ত শোষণ করছে সেখানকার ১% পুঁজিবাদী শ্রেণী। যার বিরুদ্ধে দু’বছর আগে ওয়ালস্ট্রীট আন্দোলন হ’ল। চীনও সেদিকে যাচ্ছে। এক্ষণে বাকী রইল কেবল ইসলামী অর্থনীতি। মানুষ কি সেদিকে দ্রুত ফিরে আসবে না? (স.স.)]

২৪৮টি যুদ্ধের মধ্যে ২০১টি যুদ্ধ বাধিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র একাই

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ৯০ শতাংশ বেসামরিক নাগরিক হতাহতের ঘটনায় কলঙ্কিত বিশ্বের ২৪৮টি যুদ্ধের মধ্যে ২০১টি যুদ্ধই বাধিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অথচ দেশটি বিশ্বে নিজেকে শান্তি প্রতিষ্ঠার (স্বঘোষিত) নেতা বা মোড়ল বলে দাবী করে থাকে। আমেরিকান জার্নাল অফ পাবলিক হেলথ এই তথ্য জানিয়েছে। এই সাময়িকীর চলতি বছরের জুন সংখ্যায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে বিশ্বের ১৫৩টি স্থানে ২৪৮টি যুদ্ধ হয়েছে। ইরাক ও আফগানিস্তানের যুদ্ধসহ বিদেশে এইসব যুদ্ধ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং দেশটি এইসব অভিযানে সরাসরি সেনা পাঠিয়েছে। এসব যুদ্ধে হতাহতদের শতকরা ৯০ ভাগই হ’ল বেসামরিক নাগরিক। অন্য কথায় এসব যুদ্ধে প্রতি একজন সেনা হতাহত হওয়ার পাশাপাশি দশ জন বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছে।  একই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের ৪১ শতাংশ হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্থানে থাকা চীনের অবদান হচ্ছে ৮ দশমিক দুই শতাংশ এবং রাশিয়ার অংশ হচ্ছে চার দশমিক এক শতাংশ।

[এ যুগের এইসব নমরূদ ও ফেরাঊনরা পরাজিত হবে কেবল আদর্শিক শক্তির কাছে। ইসলামের সুমহান আদর্শের প্রতি পৃথিবীর মানুষ যত দ্রুত ফিরবে, এদের হিংস্র থাবা থেকে মানুষ তত দ্রুত মুক্তি পাবে ইনশাআল্লাহ (স.স.)]

৭১-র আগে বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থীরা ভারতেরই নাগরিক

-মেঘালয় হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়

১৯৭১-এর আগে বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থীরা ভারতেরই নাগরিক। তাদের ভোটাধিকারও রয়েছে। এক ঐতিহাসিক রায়ে একথা জানিয়েছেন মেঘালয় হাইকোর্ট। ভোটার তালিকায় নাম না থাকার জন্য সম্প্রতি আদালতের দ্বারস্থ হন আসাম-মেঘালয় সীমানায় আমজং গ্রামের ৪০ জন বাংলাদেশী শরণার্থী। ভারতবাসী হিসাবে এদের নাগরিকত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে অস্বীকার করে যেলা প্রশাসন। এদের নাগরিকত্বের প্রমাণপত্রও যেলা ডেপুটি কমিশনার আটক করে রাখেন। এর প্রতিবাদেই আদালতের দ্বারস্থ হন এই শরণার্থীরা। বিচারপতি এসআর সেন জানিয়েছেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বোঝাপড়া অনুযায়ী কোন শরণার্থীদের এ দেশের নাগরিকত্ব দেয়া হবে, আর কাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে, তার স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। এক্ষেত্রে আবেদনকারীরা ১৯৭১-এর ২৪ মার্চের অনেক আগেই এ দেশে আসেন। বর্তমানে তারা যেখানে রয়েছেন, সেই আমজং গ্রাম থেকে এদের সরানোর কোন প্রশ্নই ওঠে না’। আবেদনকারীদের নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র ফিরিয়ে দিতে ও পরবর্তী নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকায় নাম তুলতেও যেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

[ধন্যবাদ হাইকোর্টকে। অথচ নরেন্দ্র মোদি পশ্চিমবঙ্গে তার নির্বাচনী প্রচারণার সময় একাধিকবার হুমকি দিয়েছিলেন সেখান থেকে মুসলমান তাড়াবেন বলে। এর পরিণাম কি হতে পারে, সে হুঁশ তার ছিল না। প্রধানমন্ত্রীর গদীতে বসে দেখি এখন তিনি কি করেন? আমরা সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ঠান্ডা মাথায় কাজ করার আহবান জানাই (স.স.)]

ভারতে ‘না’ ভোট দিয়েছে ৬০ লাখ

ভারতে এবারের লোকসভা নির্বাচনে ৫৯ লাখ ৭৮ হাযার ২০৮টি না ভোট পড়েছে। অর্থাৎ কোন প্রার্থীকে পসন্দ না হওয়ায় ভোটাররা নো-তে (নান অব দি অ্যাবাভ) ভোট দিয়েছেন। এবার কোন ভোটারের কোন প্রার্থীকে পসন্দ না হ’লে সেই ভোটারকে না ভোট দেয়ার সুযোগ দেয়া হয়েছিল। সবচেয়ে বেশী না ভোট পড়েছে মেঘালয় রাজ্যে। এখানে ৩০ লাখ ২৬৩টি না ভোট পড়ে।

আর্জেন্টিনায় বৃহত্তর ডাইনোসরের জীবাশ্ম

আর্জেন্টিনায় এমন একটি ডাইনোসরের জীবাশ্ম আবিষ্কৃত হয়েছে, যাকে বলা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডাইনোসর। এর একটি হাড়ের দৈর্ঘ্য থেকে হিসাব করে বের করা হয়েছে, ডাইনোসরটির উচ্চতা ছিল ৬৫ ফুট, যা প্রায় ছয়তলা ভবনের সমান। পৃথিবীর বুকে হেঁটে বেড়িয়েছে এমন প্রাণীর মধ্যে আর্জেন্টিনায় আবিষ্কৃত ডাইনোসরটি সব দিক থেকে বৃহৎ। এর দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ৪০ মিটার অর্থাৎ ১৩০ ফুট, যা প্রায় ট্রেনের দুইটি বগির সমান। এর ওজন প্রায় ৭৭ টন, যা ১৪টি আফ্রিকান হাতির সমান। এর আগে পাওয়া এ প্রজাতির ডাইনোসরের সর্বোচ্চ ওজন ছিল ৭০ টন। এত বড় প্রাণী এক সময়ে বহাল তরিয়তে পৃথিবীটাকে শাসন করেছে। আর্জেন্টিনার লা ফ্লেছা মরুভূমির কাছে ডাইনোসরের নতুন এ ফসিলের সন্ধান পাওয়া গেছে। প্রথমে ডাইনোসরের কয়েকটি হাড় স্থানীয় খামার মালিকের চোখে পড়ে। পরে খবর পেয়ে প্যালাওনটোলজি ইজিডিও ফারুগলিও জাদুঘরের একদল গবেষক সেখানে যান। শুরু হয় খোঁড়াখুঁড়ি। গবেষক দলটি একে একে ১৫০টি হাড় উদ্ধার করে। থরে থরে সাজানো হয় হাড়গুলো। অতঃপর বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এর দৈর্ঘ্য, উচ্চতা ও ওজন নির্ধারণ করা হয়।

সর্বোচ্চ ন্যূনতম মজুরির দেশ সুইজারল্যান্ড

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল দেশ সুইজারল্যান্ড এবার বিশ্বের সর্বোচ্চ ন্যূনতম মজুরীর দেশও হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সুইজারল্যান্ড পার্লামেন্টে ভোটাভুটি হ’তে যাচ্ছে। সেখানে প্রতিঘণ্টা কাজের জন্য ২৫ ডলারের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবটি পৃষ্ঠপোষকতা করছে সুইস ট্রেডস ইউনিয়ন কনফেডারেশন। বর্তমানে সর্বোচ্চ মজুরীর দেশ হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া (১৭.৮৮ ডলার)। সুইস সরকারের এমন উদ্যোগের ফলে ৩ লাখ সুইস নাগরিক (যা দেশের মোট কর্মশক্তির ১০ ভাগ) উপকৃত হবেন। এদের বেশিরভাগই সেবা ও কৃষি খাতের। ক্রিস্টিয়াস সায়েন্স মনিটর এক প্রতিবেদনে জানায়, সুইজারল্যান্ডে জীবনযাত্রার ব্যয়ও বেড়েছে। সেখানে ফাস্টফুড দিয়ে এক বেলা আহারের দাম পড়ে ১৫ ডলার এবং দুই পাউন্ড চিকেনের দাম ২৮ ডলার। সম্প্রতি জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেল প্রতিঘণ্টার ন্যূনতম বেতন বাড়িয়ে ১১.৫০ ডলার, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুন ১১ ডলার ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ১০ দশমিক ১০ ডলার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

[বেতন বৃদ্ধির চাইতে বেশী প্রয়োজন সরবরাহ বৃদ্ধির। বেতনের টাকা সব যদি নাশতায় চলে যায়, তাহলে ঐ বৃদ্ধিতে কি লাভ? চাহিদা ও সরবরাহের সমন্বয়ের মাধ্যমেই মানুষের সচ্ছলতা পরিমাপ করা যায়। সেদিক দিয়ে বিবেচনা করলে ধনী দেশগুলি সর্বনিম্ন স্তরে চলে যাবে। ইতিমধ্যেই সুখ-শান্তির দেশ হিসাবে ভূটানের নাম সবার উপরে উঠে এসেছে (স.স.)]