বিজ্ঞান ও বিস্ময়

বিজ্ঞান ও বিস্ময়

ক্যান্সার সারবে হলুদে!

ক্যান্সারের চিকিৎসায় হলুদ থেকে এক যুগান্তকারী আবিষ্কারের দাবী করেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাজীব গান্ধী বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। দাবী অনুযায়ী তারা হলুদের মধ্যে এমন একটি আণবিক উপাদানের খোঁজ পেয়েছেন, যা ক্যান্সার নিরাময়ে আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি বলেন, হলুদের ভেষজ গুণ সম্পর্কে সবারই জানা। জীবাণুনাশক উপাদান থাকায় বহু রোগের উপশমে হলুদ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কিন্তু দীর্ঘ ১০ বছর ধরে গবেষণা চালানোর পর এর মধ্যে এমন কিছু অণুর সন্ধান পাওয়া গেছে, যেগুলো ক্যান্সার নিরাময়ে চমৎকার কাজ দিয়েছে। এখন সময় হয়েছে একে বাস্তব-জীবনে পরীক্ষা করার।

তিনি আরো জানান, কানাডার অ্যাডভান্সড মেডিক্যাল রিসার্চ ইন্সটিটিউটের চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী হিউন লি-র টিমের সাথে যৌথ উদ্যোগে এই গবেষণা সম্পন্ন হয়েছে।

ম্যালেরিয়া বিনাশে বিজ্ঞানীদের নয়া আবিষ্কার

পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধে যত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, ম্যালেরিয়ায় প্রাণ হারিয়েছে তার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ মানুষ। প্রতি বছর পৃথিবীতে পাঁচ লাখ মানুষ প্রাণ হারায় শুধু ম্যালেরিয়ায়। এই মৃত্যুমিছিলে সবার উপরে রয়েছে আফ্রিকা। ম্যালেরিয়ার কবল থেকে বাঁচতে নতুন দিশার সন্ধান পেয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, মশার দেহকোষের পরিবর্তন আনতে পারলে মানুষের দেহে ম্যালেরিয়া ছড়ানোর ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবে। গবেষণায় সফলও হয়েছেন তারা। পরীক্ষাগারে মশার ডিএনএতে ম্যালেরিয়াবিরোধী জিন প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তারা জানিয়েছেন, পরবর্তী প্রজন্মের মশারা ম্যালেরিয়ার জীবাণু বহন করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবে। এখান পর্যন্ত গবেষণাগারে এই পরীক্ষা সফল হয়েছে। তাদের মতে, এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে ম্যালেরিয়াকে সম্পূর্ণভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

থ্রি-ডি প্রিন্টেড পাঁজরের সফল প্রতিস্থাপন

বিশ্বে প্রথমবারের মত কোন ক্যানসার রোগীর দেহে থ্রি-ডি প্রিন্টেড পাঁজর সফলভাবে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। এ ধরনের অস্ত্রোপচার আগে কোথাও হয়নি। অস্ত্রোপচারের পর অস্ট্রেলিয়ান ডাক্তাররা জানান, ক্যানসার আক্রান্ত ৫৪ বছর বয়সী এক স্প্যানিশ রোগীর দেহে এটি বসানো হয়েছে। ডাক্তার দলের সদস্য জোসে আরান্দার ভাষায়, থ্রিডি প্রিন্টেড পাঁজরের কথা মাথায় আসে এর জটিল জ্যামিতিক গঠনের কারণে। এরপরই মেডিক্যাল ডিভাইস কোম্পানী ‘অ্যানাটমিক্সে’র একটি টিম বানিয়ে ফেলে থ্রি-ডি প্রিন্টেড পাঁজর। অতঃপর তা রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। অস্ত্রোপচারের ১২ দিনের মাথায় রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছেড়েও দেয়া হয়। তিনি এখন সুস্থ।