স্বদেশ-বিদেশ

স্বদেশ

প্রিন্স আব্দুল আযীয উদ্যোক্তা পুরস্কার জিতল বাংলাদেশী কিশোর

অন্ধকে পথ দেখাবে স্মার্ট কন্ট্রোল গ্লাস

অন্ধ ও চলাচলে অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য স্মার্ট কন্ট্রোল গ্লাস তৈরী করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসাবে প্রিন্স আব্দুল আযীয উদ্যোক্তা পুরস্কার জিতেছে বাংলাদেশী কিশোর নাজমুছ ছাকিব। ঢাকা বিএসআইআর স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র ছাকিব ৪০টি দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় সেরা পুরস্কারটি জিতে নেয়।

তার আবিষ্কৃত স্মার্ট কন্ট্রোল গ্লাস ব্যবহার করে অন্ধরা পথ চলতে পারবে। চলার পথে ডানে-বামে ১৮০ ডিগ্রী কোণে কোন বস্ত্তর অস্তিত্ব পেলেই সংকেত দেবে এ গ্লাস। তাছাড়া এ গ্লাস ব্যবহার করে প্যারালাইজড অথবা অন্য কোন কারণে চলাফেরায় অক্ষম ব্যক্তি রুমের লাইট, ফ্যান চালাতে এবং বন্ধ করতে পারবেন।

গত ৩রা নভেম্বর রিয়াদের রিজ কাল্টন হোটেলে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন দ্য সেনটেনিয়াল ফান্ডের বোর্ড অব ডিরেক্টর আব্দুল আযীয মোতাইরী। ছাকিব জানায়, তাদের পাশের বাসায় একজন অন্ধ ব্যক্তি ছিলেন। তার চলাফেরা দেখে এই স্মার্ট কন্ট্রোল গ্লাস বানানোর চিন্তা আসে। মাত্র ৩ হাযার টাকায় তার স্মার্ট কন্ট্রোল গ্লাস কেনা যাবে।

[আল্লাহ স্বীয় বান্দাদের কল্যাণে এমনি করেই এক একজনের মাধ্যমে এক একটি হেদায়াত প্রেরণ করেন। অতএব তাঁর জন্যই সকল প্রশংসা (স.স.)]

২ লাখ ৪০ হাযার সূদ দেয়ার পরও আসল ৪০ হাযার টাকা বাকি; দাদন ব্যবসায়ীর পক্ষে পুলিশ

রাজশাহীর তানোরে সূদখোর দাদন ব্যবসায়ীর দাদনের টাকা আদায়ে পুলিশের আল্টিমেটামে মিরা দাস নামের এক প্রতিবন্ধী বিধবা গ্রেফতার আতঙ্কে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তানোর পৌর সদরের শিবতলা গ্রামে অমানবিক এ ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে, ২০০৯ সালে উক্ত গ্রামের স্বপন কুমার দাস প্রতিবেশী দাদন ব্যবসায়ী বিমল চন্দ্র দাসের কাছে ফাঁকা চেকবই ও ৩০০ টাকা মূল্যের ফাঁকা নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প দিয়ে প্রতি মাসে চার হাযার টাকা সূদে ৪০ হাযার টাকা দাদন নেয়। এরপর সে মাসে চার হাযার টাকা করে গত প্রায় ৫ বছরে শুধু সূদ দিয়েছে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাযার টাকা। গত ডিসেম্বর মাসে তার মৃত্যুর পর সূদখোর বিমল এখনো তার কাছে ৪০ হাযার টাকা পাবে বলে তার প্রতিবন্ধী বিধবা স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে এবং ঐ বিধবার বিরুদ্ধে তানোর থানায় অভিযোগ করে। যার প্রেক্ষিতে থানার এসআই মুছত্বফা উক্ত প্রতিবন্ধী বিধবাকে থানায় ডেকে দাদনের টাকা পরিশোধের জন্য এক মাসের সময় বেঁধে দিয়েছে। ফলে ঐ প্রতিবন্ধী বিধবা পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রেফতার আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে সূদখোর দাদন ব্যবসায়ী বিমল চন্দ্র দাস বলেন, আমি কাউকে জোর করে দাদন দেইনি। তারা বিপদে পড়ে দাদনে টাকা নিয়েছেন তাহ’লে সূদের টাকা তো দিতেই হবে। টাকা পরিশোধ করলে তো আর সূদ নিতে পারতাম না।

[মুসলমানদের সরকার কি তাহ’লে সূদখোর যালেমদের সহযোগী? আল্লাহকে ভয় কর (স.স.)]

ঢাবিতে বিজ্ঞান ও মানবিক বিভাগে প্রথম হয়েছে দুই মাদ্রাসা শিক্ষার্থী

ঢাবিতে বিজ্ঞান ও মানবিক বিভাগে প্রথম হয়েছে দুই মাদ্রাসা শিক্ষার্থী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ৯.৯৮ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। ফেল করেছে ৯০.০৬ শতাংশ শিক্ষার্থী। পরীক্ষায় বিজ্ঞান শাখা থেকে প্রথম হয়েছেন তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল-মামূন। তাঁর প্রাপ্ত স্কোর ১৭৬.৩০। অন্যদিকে মানবিক শাখা থেকে প্রথম হয়েছে আরেক মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আব্দুছ ছামাদ। তাঁর প্রাপ্ত স্কোর ১৭৬।

[ইসলামের শত্রুদের বিরুদ্ধে উত্তম চপেটাঘাত। আল্লাহকে ধন্যবাদ (স.স.)]

চারদেশীয় সড়ক যোগাযোগ : পুরোটাই ভারতের লাভ

বহুল আলোচিত চারদেশীয় সড়ক যোগাযোগ চুক্তি নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বহু আশার বাণী শোনানো হ’লেও সার্বিক পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে যে, কার্যতঃ এ চুক্তি ‘অন্ধকে হাতি দেখানোর’ নামান্তর। আন্তঃদেশীয় এ যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের ঝুলিতে নতুন কিছুই জুটছে না। বরং চারদেশীয় যোগাযোগের নামে ভারতকে ট্রানজিট দেয়া নিশ্চিত করা হয়েছে। ভারতকে ট্রানজিট দেয়া ইস্যুতে দেশের সর্বস্তরের মানুষ প্রতিবাদী হওয়ায় সুকৌশলে চার দেশীয় সড়ক যোগাযোগ প্রসঙ্গ সামনে আনা হয়েছে। এ চুক্তি কার্যকর হ’লে বাংলাদেশের লাভের খাতা শূন্যই থাকবে। আর লাভের পুরোটাই ভারত ঘরে তুলবে- এমনটাই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। চারদেশীয় সড়ক যোগাযোগের মোড়কে ভারতীয় যান চলাচল নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে ব্যয় করতে হবে প্রায় ১ লাখ ১০ হাযার কোটি টাকা। নামে ‘চারদেশীয় কানেকটিভিটি’ বলা হ’লেও থিম্পুতে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী ভারতের মাত্র তিনটি শহর তথা কলকাতা, শিলিগুড়ি ও গুয়াহাটি পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকছে বাংলাদেশের যানবাহন চলাচল। যার মধ্যে কলকাতাই কেবল বাণিজ্যিক শহর। অপরদিকে ভারত বাংলাদেশের ভূখন্ডের একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্ত ব্যবহার করতে পারবে। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুই সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছে ভারত। এদিকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের জন্য প্রস্তাবিত শুল্কের ৭৬ শতাংশ কমানোর প্রস্তাব করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রণালয়। বিবিআইএন অনুযায়ী, রুট চূড়ান্ত করা হ’লেও শুল্ক নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে শুল্কের বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার আগেই আগামী জানুয়ারী থেকে চার দেশের মধ্যে যান চলাচল শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সাবেক রাষ্ট্রদূত মুহাম্মাদ হুমায়ূন কবীরের মতে, শুধুমাত্র তিনটি শহরেই সীমাবদ্ধ থাকা নয়, বাংলাদেশকে নানা শর্ত দিয়ে আটকে দেয়া হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের পণ্যবাহী গাড়ি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পণ্য খালাস করে খালি গাড়ি নিয়ে ফিরে আসতে হবে। যাত্রীবাহী ও ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রেও একই শর্ত প্রযোজ্য। তিন শহরের বাইরে যেতে না পারায় এবং খালি গাড়ি ফিরে আসতে হ’লে প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা ভারতে তাদের পণ্য প্রবেশ করাতে উৎসাহিত হবে না। ট্রাক-কাভার্ডভ্যান পণ্য খালাস করে খালি ফেরায় যাওয়া ও আসার ভাড়া পণ্যের মালিককে বহন করতে হবে। এতে ভারতে বাংলাদেশী পণ্যের মূল্য বেড়ে যাবে। ফলে ব্যবসায়ীরা ভারতে পণ্য রপ্তানিতে নিরুৎসাহিত হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তারেক শামসুর রহমান বলেন, ট্রানজিট, ট্রান্সশিপমেন্ট বা কানেকটিভিটি- আমরা যে নামেই এ ব্যবস্থাকে চিহ্নিত করি না কেন, মূল বিষয় হচ্ছে একটি যে, এতে একতরফাভাবে ভারতই লাভবান হচ্ছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনু মুহাম্মাদ এক মন্তব্যে বলেন, প্রকৃতপক্ষে এ চুক্তির প্রধান দিক, ভারতের এক অঞ্চলের সঙ্গে অন্য অঞ্চলের যোগাযোগের করিডোর ব্যবস্থা। ‘কানেকটিভিটি বা সংযুক্ততা নামক শব্দ ব্যবহার আসলে এ বিষয়টি আড়ালের চেষ্টা, এটা বুঝতে কোন অসুবিধা হয় না। এদিকে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে যে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর যোগাযোগ ব্যবস্থায় বাংলাদেশ এ অর্থ (১ লাখ ১০ হাযার কোটি টাকা) ব্যয় করলে সেখানেও একচ্ছত্রভাবে লাভবান হবে ভারত।

[সরকার সাহসী ও দেশপ্রেমিক হ’লে অবশ্যই তাকে এ চুক্তি বাতিল করতে হবে (স.স.)]

বিদেশ

ফ্রান্সে ঋণের দায়ে গোটা পরিবারের আত্মহত্যা!

ফ্রান্সের একটি বাড়িতে তিন শিশু ও তাদের বাবা-মাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় লিলে শহরের কাছে এ ঘটনা ঘটেছে। তিনটি শিশুর বয়স যথাক্রমে ছয় মাস, চার বছর ও ১০ বছর। তাদের মাতার বয়স ৪০ ও পিতার বয়স ৪২ বছর। পিতার লিখিত চিরকুট থেকে জানা যায়, ঐ ব্যক্তি (পুরুষ) ঋণগ্রস্ত হওয়া এবং বড় ধরনের আর্থিক সমস্যায় পড়ায় এ কাজ করেছেন। প্রতিবেশীর ভাষ্য অনুযায়ী পরিবারটি প্রায় এক বছর ধরে ঐ এলাকায় বাস করে আসছে।

[পরাশক্তিগুলির অন্যতম ফ্রান্সের নাগরিকদের এই দুর্গতির কারণ হ’ল সেদেশের পুঁজিবাদী অর্থনীতি। ন্যায় বিচারভিত্তিক ইসলামী অর্থনীতি চালু করাই এর একমাত্র সমাধান। ধনিক শ্রেণী আল্লাহকে ভয় করবেন কি? (স.স.)]

ইরাক যুদ্ধে ‘ভুলে’র জন্য টনি ব্লেয়ারের দুঃখ প্রকাশ

সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার ২০০৩ সালে মার্কিন বাহিনীর নেতৃত্বে ইরাকে সামরিক অভিযান চালানোর সময় যেসব ‘ভুল’ হয়েছিল, তার জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। ঐ যুদ্ধের পরিণামেই চরমপন্থী সংগঠন আইএস-এর উত্থান হয় বলে তিনি স্বীকার করেন। সিএনএনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যে গোয়েন্দা তথ্য আমরা পেয়েছিলাম, তা ভুল ছিল। এজন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। কারণ তিনি (সাদ্দাম) নিজ দেশের জনগণের বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে এবং অন্যদের বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করলেও সেটার মাত্রা আমরা যে রকম ভেবেছিলাম, ঠিক সে রকম ছিল না।

ইরাকের ঐ যুদ্ধই আইএসের উত্থানের কারণ কি না, প্রশ্ন করা হ’লে ব্লেয়ার বলেন, এমন দাবীর পক্ষে ‘সত্যের উপাদান’ রয়েছে। যারা ২০০৩ সালে সাদ্দামকে উৎখাত করেছিল, ২০১৫ সালে ইরাক পরিস্থিতির কোন দায় তাদের নেই এমনটা বলা যায় না।

উল্লেখ্য, সাদ্দাম সরকারের পতনের পর ইরাক বিশৃংখলায় নিমজ্জিত হয় এবং পরবর্তী কয়েক বছর দেশটিতে গোষ্ঠীগত সহিংসতা ভয়াবহ আকারে বেড়ে যায়। পাশাপাশি উত্থান ঘটে চরমপন্থী সংগঠন আল-কায়েদা ও আইএসের। নিহত হয় লাখ লাখ ইরাকী।

[এ ভুল অন্য কেউ করলে তাকে যুদ্ধাপরাধীর মামলা দিয়ে ফাঁসি দেওয়া হ’ত এক্ষণে টনি ও বুশদের কি হবে? (স.স.)]

লাখ টাকার গহনা ফিরিয়ে দিলেন রিকশাচালক মুহাম্মাদ নূর

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। পূজার ভিড়ে ঠাসা রাস্তায় কয়েক ঘণ্টা রিকশা চালানোর পরে চালক মুহাম্মাদ নূর একটু বিশ্রাম নেওয়ার জন্য থেমে হঠাৎ সিটের দিকে নযর পড়তেই দেখলেন মেয়েদের একটি হাতব্যাগ। ব্যাগের চেন খুলে দেখেন প্রায় দুইতিন লাখ টাকা মূল্যের সোনার গহনা ও অন্যান্য জিনিসপত্র। বিভিন্ন লোকের সাথে যোগাযোগ করে অবশেষে থানায় গিয়ে মূল মালিককে ফিরিয়ে দিতে পেরেছেন তার হারানো সম্পদ। শহর-লাগোয়া বিহারের মান্নাপাড়ায় থাকেন তিনি। রিকশা চালান ইসলামপুর এলাকায়। অভাবের সংসার হ’লেও সম্পদগুলি নিয়ে তার তেমন কোন উত্তাপ নেই। বরং নির্লিপ্তভাবে বললেন, অন্যের টাকা নিয়ে আমি কী করব! গতরে খেটে যা রোজগার করব, তা দিয়েই সংসার চলে যাবে। পুলিশের সামনেই মালিক রুমকী দেবীর নিকটে ব্যাগ হস্তান্তর করেন নূর। দেখা যায়, প্রায় ৬ ভরি সোনার গয়না, মোবাইল ফোন, সব একদম ঠিকঠাক। এ ঘটনার পরে এলাকায় কার্যত ‘হিরো’ বনে গিয়েছেন নূর। ইসলামপুর থানার আইসি মুকসেদুর রহমান বলেন, ‘এখনকার দিনে এমন সৎ মানুষের খোঁজ মেলা ভার। ওকে কুর্নিশ জানাই। ব্যাগের মালিক রুমকী যাকে সামনে পাচ্ছেন তার কাছেই নূরের তারিফ করছেন। বললেন, ‘সংসারে যার এত অভাব, তিনি এত সৎ হ’তে পারেন, ভাবতেই পারছি না। কত বড় মাপের মানুষ উনি!

[জী হ্যাঁ! এটাই ইসলাম। ঈমানী শক্তিই তাকে উন্নত মানুষে পরিণত করেছে (স.স.)]

শ্রীনগর হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায় : কাশ্মীর ভারতের অংশ নয়

জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অংশ নয়। সংবিধানে একে সীমিত সার্বভৌম ভূখন্ডের মর্যাদা দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে সম্প্রতি এক ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে রাজ্যটির হাইকোর্ট। বিচারপতি হাসনাই মাসঊদী ও বিচারপতি জনক রাজ কোতয়ালের ডিভিশন বেঞ্চ ৬০ পৃষ্ঠার এই রায় দেন। আদালত বলেছেন, সংবিধানের ৩৫(এ) অনুচ্ছেদে বিদ্যমান আইনে কাশ্মীরকে সুরক্ষা দেয়া হয়েছে। ৩৭০ অনুচ্ছেদকে অস্থায়ী বিধান হিসাবে উল্লেখ করা হ’লেও একবিংশ ধারায় এটিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ধারা সংবিধানে ‘অস্থায়ী, অপরিবর্তনশীল ও বিশেষ বিধান’ নামে স্থায়ী স্থান করে নিয়েছে। আইনসভায় এটি সংশোধন, বাতিল বা রদ করা যাবে না। ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দীর্ঘদিন ধরে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের দাবী জানাচ্ছে। বর্তমানে তারা কেন্দ্রীয় সরকারে থাকায় বিষয়টি আরো গুরুত্ব পেয়েছে।

এদিকে আদালতের এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে স্থানীয় দলগুলো এবং রাজনৈতিক নেতারা, সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমদের প্রতিনিধিরা। তারা এটিকে মাইলফলক রায় হিসাবে উল্লেখ করে বলেন, এখন সময় ৩৭০ অনুচ্ছেদকে আরো শক্তিশালী করা। এ বিষয়ে হুররিয়াত নেতা শাবিবর আহমাদ শাহ বলেন, বিভক্তির আগেও কাশ্মীর ভারতের ছিল না। এখনো ভারতের অংশ হ’তে দেব না। উল্লেখ্য, ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভের পর কাশ্মীর নিয়ে ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্ব শুরু হয়। ১৯৪৭-৪৮ সালে কাশ্মীর নিয়ে এই দুই দেশে প্রথম যুদ্ধ হয়। এরপর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয় এবং একটি অংশ পাকিস্তানের অধীনে যায়, যা পাকিস্তান আযাদ কাশ্মীর বলে এবং অপর অংশটি যায় ভারতের অধীনে, যাকে তারা জম্মু-কাশ্মীর নামে নামকরণ করে।

[এভাবেই সত্য প্রকাশিত হয়। এক্ষণে গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী ভারতের নেতারা এ রায় মানবেন কি? (স.স.)]

২০১৫ সালে নোবেল বিজয়ী যারা

২০১৫ সালে ৬টি বিষয়ে মোট ১০ জন ব্যক্তি ও ৪টি প্রতিষ্ঠান নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানে কেঁচো ক্রিমি থেকে সৃষ্ট রোগ প্রতিকার ও ম্যালেরিয়ার নতুন চিকিৎসাপদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করছেন যথাক্রমে আয়ারল্যান্ডের উইলিয়াম সি ক্যাম্পবেল ও জাপানের ওমুরা এবং চীনের ইউইউ ত। পদার্থের অণুতে নিউট্রিনোর রূপ বদলের স্বরূপ খুঁজতে গিয়ে এই কণার ভর থাকার ইংগিত পেয়ে জাপানের তাকাকি কাজিটা ও কানাডার আর্থার বি. ম্যাকডোনাল্ড নামে দুই বিজ্ঞানী পেয়েছেন পদার্থ বিজ্ঞানের নোবেল। জীবন্ত কোষ কি করে তার ক্ষতিগ্রস্ত ডিএনএ মেরামত করে, আর কেমন করে জিনে থাকা তথ্যের সুরক্ষা দেওয়া হয়- সেই প্রশ্নের উত্তর বিশ্ববাসীর নিকটে স্পষ্ট করে রসায়নে নোবেল পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী। তারা হ’লেন সুইডেনের টোমাস লিন্ডাল, যুক্তরাষ্ট্রের পল পল মডরি ও তুরস্কের আযীয সানজার। এর মধ্য দিয়ে ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে। সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন ৬৭ বছর বয়সী বেলারুশ লেখক সলতিয়েনা আলেক্সিয়েভিচ। চেরনোবিল এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে রেকর্ড করা হাযার হাযার সাক্ষাৎকারকে আবেগময় সাহিত্যে পরিণত করে তিনি এক নতুন ধরনের রচনা সৃষ্টি করেন। অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির অধ্যাপক ইঙ্গো-মার্কিন অর্থনীতিবিদ অ্যানগাস ডেটন। ভোগ, দারিদ্র ও জনকল্যাণ বিষয়ে গবেষণার জন্য তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। তিউনিসিয়ায় ২০১১ সালের বিপ্লবের পর সেখানে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্রের ধারা সুসংহত করার জন্য শান্তিতে নোবেল পেয়েছে দেশটির চারটি সংগঠনের একটি জোট। নোবেল কমিটি বলেছে, ন্যাশনাল ডায়ালগ কোয়ার্টেট নামের শান্তি আলোচক ঐ জোটটি তিউনিসিয়ায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদান রেখেছে।