স্বদেশ-বিদেশ

স্বদেশ

নীরব ঘাতক হাড়ক্ষয় রোগ : আক্রান্ত দেশের ৪ কোটি ৮০ লাখ মানুষ

দেশে প্রতি দশজন মানুষের মধ্যে তিনজন তথা ৪ কোটি ৮০ লাখ নীরব ঘাতক অস্টিওপোরেসিসি (হাড়ক্ষয়) রোগে আক্রান্ত। বিশ্বে আনুমানিক ২০ কোটি মানুষ এ রোগে আক্রান্ত এবং প্রতি ৩ সেকেন্ডে একজন করে মানুষ এ রোগে নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন। সারা বিশ্বে প্রতি তিনজন নারীর একজন এবং প্রতি পাঁচজন পুরুষের একজন বর্তমানে হাড়ক্ষয় রোগে ভুগছেন। একবার এ রোগে আক্রান্ত হ’লে তা আর নিরাময় হয় না।

গত ১৮ অক্টোবর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ রিউমাটোলজি সোসাইটি’র এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে সোসাইটির মহাসচিব অধ্যাপক নযরুল ইসলাম বলেন, হাড়ক্ষয় রোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল প্রক্রিয়া। ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের অভাবে সাধারণত এ রোগ হয়। ২১ থেকে ৩৯ বছর বয়সের মধ্যেই পূর্ণ হাড় তৈরী হ’তে হবে। অর্থাৎ ঐ বয়সে যার হাড় যত শক্ত হবে, বয়সকালে তার হাড়ক্ষয় রোগ এবং হাড়ভাঙার ঝুঁকি তত কম হবে। তিনি বলেন, নিয়মিত ব্যায়াম, হাঁটাহাঁটি, গায়ে রোদ লাগানো (সকাল ১০-টা থেকে বিকাল ৪-টা পর্যন্ত কমপক্ষে ১০ মিনিট), ধূমপান ত্যাগ, শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা যেতে পারে। উল্লেখ্য, ধূমপানের কারণে হাড়ক্ষয় সবচেয়ে বেশী হয়।

নীরব ঘাতক এই রোগে একবার আক্রান্ত হ’লে তা আর পুরোপুরি নিরাময় হয় না। তবে ওষুধ সেবন, ব্যায়াম করা, ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম সেবনের মাধ্যমে হাড়ের ঘনত্ব বাড়ানো যায়। যা রোগের ভয়াবহতা  থেকে রোগীকে রক্ষা করে। হাড়ক্ষয় রোগের কারণে অল্প আঘাতে শরীরের হাড় ভেঙে যায়। অনেক সময় কোমরের হাড় ভেঙে বা  বেঁকে যাওয়ার ফলে শরীরের নিচের অংশ অবশ হয়ে যায়, ফুসফুস সংক্রমণ রোগ বেশি হয়। এ রোগে মৃত্যুর হার অনেক বেড়ে যায়। অধ্যাপক নযরুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশে ১০০ জনের ওপরে পরিচালনা করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৯৭ শতাংশ মানুষের ভিটামিন ডি-এর অভাব রয়েছে। মাত্র তিনজনের শরীরে পরিমিত ভিটামিন ডি আছে।

অধ্যাপক গোলাম আযমের মৃত্যু

‘জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ’-এর সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম গত ২৩শে অক্টোবর রোজ বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে ঢাকার বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রিজন সেলে ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে ৯২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। ইন্না লিল্লা-হি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেঊন। দীর্ঘ দিন থেকে তিনি নানা ধরনের অসুখে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৬ ছেলে ও ২০ জন নাতি-নাতনী রেখে গেছেন। তাঁর কোন কন্যাসন্তান নেই। ছয় ছেলের সকলেই আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত। যাদের পাঁচজন বিদেশে এবং একজন দেশে থাকেন। তাঁর ২০ জন নাতি-নাতনীর অধিকাংশ লন্ডনের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করছেন।

শনিবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে তাঁর জানাযার ছালাতে ইমামতি করেন তাঁর চতুর্থ পুত্র সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ আমান আল-আযমী। হাযার হাযার নেতাকর্মী ও সাধারণ মুছল্লী তাঁর জানাযায় অংশগ্রহণ করেন। অতঃপর বড় মগবাজারে স্বীয় পারিবারিক গোরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

সংক্ষিপ্ত জীবনী : অধ্যাপক গোলাম আযম ১৯২২ সালে ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে স্বীয় মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ছিলেন মাওলানা গোলাম কবীর এবং পৈত্রিক বাড়ী ছিল ব্রাহ্মণবাড়ীয়া যেলার নবীনগর উপযেলার বীরগাঁও গ্রামে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এম,এ পাস করেন। ১৯৪৯ সালে ঢাবি ছাত্র সংসদ বা ডাকসু-র জিএস ছিলেন। সে সময় ঢাকা সফররত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানের নিকট বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবীতে ছাত্রদের পক্ষ হ’তে স্মারক লিপি প্রদান করেন। তৎকালীন মুসলিম লীগের বিশিষ্ট নেতা আবুল হাশেম-এর পুত্র বর্তমানে বিশিষ্ট বাম রাজনীতিক বদরুদ্দীন ওমর (জন্ম ১৯৩১ খৃঃ) বলেন, হিন্দু কোন ছাত্রকে দিয়ে স্মারকলিপি পেশ করা হ’লে তার ভিন্ন ব্যাখ্যা হ’তে পারে বিধায় ডাকসু’র ভিপি অরবিন্দ বোসকে বাদ দিয়ে জিএস গোলাম আযমকে দিয়ে স্মারকলিপি পেশ করা হয়েছিল’।

১৯৫১ সালে তিনি নওগাঁ সরকারী কলেজের আরবীর অধ্যাপক মাওলানা মীর আব্দুস সালামের দ্বিতীয়া কন্যা আফীফা খাতুনকে বিবাহ করেন। যিনি ছিলেন বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলেহাদীস-এর সাবেক সভাপতি ড. মুহাম্মাদ আব্দুল বারীর আপন মামাতো বোন।

তিনি ১৯৫০ সালের ডিসেম্বরে রংপুর সরকারী কারমাইকেল কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক হিসাবে যোগদান করেন। তখন তিনি তাবলীগ জামাতের সাথে যুক্ত ছিলেন। পরে ১৯৫৪ সালে জামায়াতে ইসলামীর সংস্পর্শে আসেন এবং ১৯৫৫ সালে চাকুরী ছেড়ে সরাসরি জামায়াতের রাজনীতিতে নেমে পড়েন। সেসময় জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা আমীর ছিলেন মাওলানা আব্দুর রহীম। স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ দিকে ১৯৭১-এর ২২শে নভেম্বর তিনি পাকিস্তানে চলে যান। অতঃপর ১৯৭৮ সালে অসুস্থ মাকে দেখার জন্য ঢাকায় ফিরে আসেন। আর পাকিস্তানে ফিরে যাননি। ১৯৯১ সালের ২৯শে ডিসেম্বর তিনি জামায়াতের ‘আমীর’ হন। পরে ‘নাগরিকত্বহীন একজন ব্যক্তি কোন রাজনৈতিক দলের প্রধান হতে পারেন না’ বিধায় তার বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন হয়। ফলে ৯২ সালের মার্চে তিনি গ্রেফতার হয়ে ১৬ মাস কারাগারে থাকেন। অতঃপর ১৯৯৪ সালে নাগরিকত্ব ফিরে পান। এভাবে কয়েক দশক ধরে গোপনে ও প্রকাশ্যে জামায়াতের আমীরের দায়িত্ব পালন শেষে ২০০০ সালে অবসরে যান।

২০১২ সালের ১১ জানুয়ারী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানের অখন্ডতার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আদেশে অধ্যাপক গোলাম আযমকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। অতঃপর তাঁর বিচার শুরু হয় এবং ৯০ বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়। অসুস্থতার কারণে শুরু থেকেই তাকে ‘বিএসএমএমইউ’-এর প্রিজন সেলে রাখা হয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সেখানেই ছিলেন।

[আমরা তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।-সম্পাদক]

এখন তোর আল্লাহ কোথায়?

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রী বলেছেন, আমার কাছে ‘নারী-পুরুষের পর্দা’ নামক একটি বই ছিল। বইটি দেখে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমাকে সভাপতির রুমে ডেকে নিয়ে বলে, তোর কাছে ইসলামী বই আছে, তুই তো জঙ্গী, এখন তোর আল্লাহ কোথায়? তোকে বাঁচালে আমরা বাঁচাবো, তা ছাড়া কেউ বাঁচাতে পারবে না’। ছাত্রীটি অভিযোগ করে বলেন, এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ বা হলের প্রক্টর কেউই আমার কোনো কথাই শোনেননি, তারা ছাত্রলীগ নেতাদের কথা মতোই কাজ করেছেন। এই হ’ল বর্তমান প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলে খ্যাত ৯০% মুসলিমের দেশে অবস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা।

সুপ্রীম কোর্টের জনৈক আইনজীবী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন ধর্মবিদ্বেষী নানা চক্রের দাপটে অস্থির। দুনিয়ার এমন কোন অন্যায়, দুর্নীতি-পাপাচার নেই যা এখানে সংঘটিত হয় না। যেখানে অপসংস্কৃতি, ধর্মদ্রোহিতা, যেনা-ব্যভিচার, মাদক ব্যবহারের ছড়াছড়ি সেখানে কিন্তু যত বাধা সব কেবল ইসলামের বেলায়। [মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন (স.স.)]

বিদেশ

বাইবেলে বর্ণিত সৃষ্টিতত্ত্ব আমাদের জাদুতে বিশ্বাস করতে শেখায়। অতএব বিগ ব্যাং-ই সঠিক সৃষ্টিতত্ত্ব

 -পোপ ফ্রান্সিস

গত ২৮ শে অক্টোবর বিজ্ঞান বিষয়ক এক সমাবেশে এই উক্তি করেন খ্রিস্টধর্মের সর্বোচ্চ পদাধিকারী পোপ ফ্রান্সিস। তিনি বলেন, ঈশ্বর তো কোন জাদুকর নন যে, জাদু-কাঠির ছোঁয়ায় সবকিছু করে ফেলবেন! বাইবেলে বর্ণিত সৃষ্টিতত্ত্ব আমাদের জাদুতে বিশ্বাস করতে শেখায়। কিন্তু সেটা ঠিক নয়। বরং বিগ ব্যাং-ই সঠিক সৃষ্টিতত্ত্ব। আর ঈশ্বর চেতনার সঙ্গে এর কোন বিরোধ নেই।

তিনি বলেন, ‘বিজ্ঞান-তত্ত্বের সঙ্গে ধর্মের কোন বিরোধ নেই। মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব হিসাবে আমরা বিগ ব্যাং-কেই মেনে নিয়েছি। ঈশ্বরই সৃষ্টিকর্তা, এই কথা বললেও সৃষ্টির স্বরূপ বুঝতে বিগ ব্যাংয়ের মতো তত্ত্বের প্রয়োজন রয়েছে। জেনেসিসে যেভাবে সৃষ্টিতত্ত্বের ব্যাখ্যা করা হয়েছে, তা পড়লে মনে হয়, ঈশ্বর স্রেফ এক জাদুকর এবং তার জাদু-কাঠির ছোঁয়ায় সব কিছু সৃষ্টি করে ফেলেছেন! পোপের এই মন্তব্য নিয়ে কট্টরপন্থী খ্রিষ্টানদের মধ্যে সমালোচনার ঝড় উঠলেও বিজ্ঞানীরা তার এই মন্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন।

[কেবল বিস্ফোরণেই কিছু সৃষ্টি হয় না। বরং এর জন্য সৃষ্টিকর্তা প্রয়োজন হয়। যিনি জীবজগত ও তাদের বাসোপযোগী করে ভূমন্ডল ও নভোমন্ডল সৃষ্টি করেন। অতএব কেবল বিগ ব্যাং-ই শেষ কথা নয়। আল্লাহ বলেন, ‘অবিশ্বাসীরা কি দেখে না যে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল একত্রিত ছিল। অতঃপর আমরা উভয়কে পৃথক করে দিলাম এবং আমরা পানি দ্বারা সকল প্রাণবান বস্ত্তকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না?’(আম্বিয়া ৩০)।]

বিশ্বে যেকোন সময় পরমাণু যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার আশঙ্কা

-নোয়াম চমস্কি

বিশ্বে যেকোন সময় পরমাণু যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক নোয়াম চমস্কি। তিনি বলেছেন, বিশ্ব এর আগে কখনোই বিপজ্জনকভাবে পরমাণু যুদ্ধের এতো নিকটে চলে আসেনি। রাশিয়া এবং পশ্চিমা দেশগুলো আরেকটি শীতল যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় বিশ্বে এ যুদ্ধ যেকোন সময়ে বেঁধে যেতে পারে। চমস্কি বলেন, ন্যাটো যে লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল তা বদলে গেছে এবং ন্যাটো এখন বিশ্বের জ্বালানি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ দখল করতে চাচ্ছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, এর আগে বিশ্ব কখনোই পরমাণু যুদ্ধের এতো কাছাকাছি আসেনি এবং যারা এ যুদ্ধ শুরু করবে তারা সবাই এতে ধ্বংস হয়ে যাবে। মধ্যপ্রাচ্যের ঘটনাবলীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জড়িয়ে পড়ার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অচলাবস্থার আরো অবনতি ঘটেছে বলে জানান নোয়াম চমস্কি। ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকাকে ‘হাতুড়ির আঘাতের’ সঙ্গে তুলনা করেন তিনি।

২০১৪ সালে নোবেল বিজয়ী যারা

২০১৪ সালে ৬টি বিষয়ে মোট ১৩  জন নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। মস্তিষ্কের জিপিএস পদ্ধতির আবিষ্কারের জন্য চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করছেন বৃটেনের ৩ বিজ্ঞানী গবেষক প্রফেসর জন ওকেফে, মে-ব্রিট মোসার এবং অ্যাডভার্ড আই. মোসার। জ্বালানী সাশ্রয়ী উজ্জ্বল আলো তৈরীতে সক্ষম নীল লাইট এমিটিং ডায়োড (এলইডি) উদ্ভাবনের জন্য পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন ৩ জাপানী বিজ্ঞানী ইসামু আকাশাকী, হিরোশি আমানো ও সুজি নাকামুরা। প্রচলিত অপটিক্যাল মাইক্রোস্কপির অতি তড়িৎ চম্বুকীয় তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে ন্যানোকপিতে পরিণত করার জন্য রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যৌথভাবে ৩ জন। তারা হ’লেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এরিক বেটজিগ ও উইলিয়াম ই. মোয়েনার এবং জার্মানির  স্টিফান ডব্লিউ হেল। সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন ফ্রান্সের লেখক প্যাত্রিক মোদিয়ানো। মার্কেট পাওয়ার এন্ড রেগুলেশন বিশ্লেষণের জন্য অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছেন ফ্রান্সের নাগরিক জ্যঁ তিরোল। শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন পশ্চিমাদের প্রচারণায় হঠাৎ শান্তির প্রতীক বনে যাওয়া পাকিস্তানের তরুণী মালালা ইউসুফযাই এবং ভারতের শিশু অধিকার বিষয়ক কর্মী কৈলাশ সত্যার্থী। মাত্র ১৭ বছর বয়সে নোবেল জয়ের ঘটনা বিশ্বে এটাই প্রথম।

আইএস বিরোধী যুদ্ধের ঘনঘটায় যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ব্যবসা জমজমাট

আইএস বিরোধী যুদ্ধকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের অস্ত্র ব্যবসা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। নিরাপত্তার অজুহাতে এসব অস্ত্র কিনছে আরব দেশগুলো। যুক্তরাষ্ট্র সঊদী আরবের কাছে ১৭৫ কোটি ডলার সমমূল্যের প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যাটারী বিক্রির পরিকল্পনা করছে। আর সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে প্রায় ৯০ কোটি ডলার সমমূল্যের দূরপাল্লার আর্টিলারী বিক্রি করছে। এদিকে কুয়েত এবং কাতার ইতিমধ্যে পিএসি-৩ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ক্রয় করেছে। গ্রাউন্ড রাডার ব্যবহার করে এটি ব্যালাস্টিক মিসাইল, শত্রু বিমান এবং ক্রুজ মিসাইল ধ্বংস করতে সক্ষম। উপসাগরীয় দেশগুলো সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার সিস্টেম এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারে ব্যাপক অর্থ ব্যয় করছে। এসব অস্ত্রের সিংহভাগই আসছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।

[বিগত যুগে মদীনার সূদী কারবারী ইহূদীরা আউস ও খাযরাজদের মধ্যে যুদ্ধ বাধিয়ে দিয়ে যেভাবে অস্ত্রব্যবসা চালিয়ে যেত, আজও তারা ও তাদের দোসররা সেটাই করে যাচ্ছে। অথচ বোকা মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানরা তাদের পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে নিজেদেরকে নিঃস্ব ও পরমুখাপেক্ষী করছে। অতএব সংশ্লিষ্টরা সাবধান হউন এবং সর্বাবস্থায় আল্লাহর উপর ভরসা করুন (স.স.)]

পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব চাই

-ঢাকায় এ পি জে আব্দুল কালাম

বিশ্বখ্যাত মহাকাশ বিজ্ঞানী, ভারতের পরমাণু বোমার জনক ও সে দেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি এ পি জে আব্দুল কালাম বলেছেন, পারমাণবিক শক্তি যখন মানবসভ্যতা ধ্বংসের জন্য ব্যবহৃত হয়, তখন তা অত্যন্ত ক্ষতিকর হয়। তাই পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব প্রতিষ্ঠায় ভারত, পাকিস্তানসহ সব দেশের একসঙ্গে কাজ করা উচিত। গত ১৭ই অক্টোবর শুক্রবার মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ১১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ঢাকায় এসে হোটেল সোনারগাঁও-য়ে  বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় পারমাণবিক শক্তির নেতিবাচক দিক সম্পর্কে এ অভিমত দেন সাবেক এই রাষ্ট্রপতি।

ঘণ্টা দেড়েকের মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে, পারমাণবিক শক্তি তখন অমঙ্গলের হয়, যখন তা মানব উন্নয়নের ক্ষেত্র ধ্বংসের কাজে ব্যবহার করা হয়। আমি বিজ্ঞানের মাধ্যমে মানুষের হাসি দেখতে চাই, কান্না নয়। আমি মনে করি, যেসব দেশের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে তাদের জন্য নিরস্ত্রীকরণের সময় এসেছে।