মুসলিম জাহান

মুসলিম জাহান

কায়রোর বিভিন্ন মসজিদ থেকে সালাফী ওলামায়ে কেরামের বই-সিডি জব্দ

মিসরের ওয়াকফ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা আকস্মিক তল্লাশী চালিয়ে রাজধানী কায়রোর বিভিন্ন মসজিদ থেকে আব্দুল্লাহ বিন বায, ছালেহ আল-উছায়মীন প্রমুখ সালাফী ওলামায়ে কেরাম সহ অন্যান্য আলেমের হাযার হাযার বই ও সিডি জব্দ করেছে। পাশাপাশি যে সকল স্টুডিওতে এসব সিডি রেকর্ড করা হ’ত, সেগুলি অধিক তল্লাশীর জন্য সিলগালা করে দিয়েছে। এছাড়া মিসরের মসজিদসমূহের ইমাম ও খতীবদের উদ্দেশ্যে আহবান জানানো হয়েছে, যাতে মসজিদসমূহের লাইব্রেরীগুলো তারা পুনরায় পর্যবেক্ষণ করেন এবং লাইব্রেরীগুলোকে চরমপন্থী চিন্তার প্রসারক ও ইসলাম বিরোধী সকল বই থেকে মুক্ত রাখা হয়।

অভিযানে শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ, মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব, আব্দুল্লাহ বিন বায, মুহাম্মাদ বিন ছালেহ আল-উছায়মীন, আবু ইসহাক আল-হুওয়াইনী, ইউসুফ আল-কারযাভী, হাসানুল বান্না, মুহাম্মাদ আব্দুল মাকছূদ, সালাহ সুলতান, ইয়াসির বারহামী, মুহাম্মাদ হোসাইন ইয়াকূব প্রমূখের বই জব্দ করা হয়েছে।

[আদর্শ দিয়ে মুকাবিলায় ব্যর্থ হয়ে এখন শক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে। এটিতো পশু প্রকৃতি। এতে সালাফী আন্দোলন সারা বিশ্বে আরও যোরদার হবে ইনশাআল্লাহ (স.স.)]

তিউনিসিয়ায় ৮০টি মসজিদ বন্ধ করে দেয়া হবে

-প্রধানমন্ত্রী

তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী হাবিব ইয়াযীদ বলেছেন, দেশে সহিংসতা উস্কে দেয়ার অভিযোগে প্রায় ৮০টি মসজিদ বন্ধ করে দেয়া হবে। তিউনিসিয়ার একটি সমুদ্র সৈকতের পার্শ্ববর্তী একটি হোটেলে হামলায় ৩৯ জন নিহত হওয়ার পর তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, এসব মসজিদ দেশে বিষ ছড়াচ্ছে এবং এগুলো আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধ করে দেয়া হবে। মসজিদগুলো রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে। শুক্রবার তিউনিসিয়ার অবকাশ যাপন শহর সুসেতে পর্যটকদের ওপর এক বন্দুকধারী বেপরোয়া গুলি বর্ষণ করে। ইসলামিক স্টেট গ্রুপ এ হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। নিহতদের মধ্যে তিউনিসিয়া, ব্রিটেন, জার্মানি, বেলজিয়াম, ফ্রান্স ও আয়ারল্যান্ডের নাগরিক রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসের পর তিউনিসিয়ায় পর্যটকদের ওপর এটি ছিল দ্বিতীয় বড় ধরনের হামলার ঘটনা। এর আগে রাজধানীর একটি জাদুঘরে চরমপন্থী হামলায় ২২ জন নিহত হয়। এদের অধিকাংশ ছিল বিদেশী নাগরিক।

[বিদেশী পর্যটকদের সাগর তীরে প্রকাশ্যে ব্যভিচার ক্রিয়া ও রাস্তা-ঘাটে বেলেল্লাপনা বন্ধ করুন এবং দেশের ইসলামী সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হৌন, তাহ’লে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। নইলে মসজিদ বন্ধ করে কোন লাভ হবেনা (স.স)]

চাদে বোরকা নিষিদ্ধ

চাদে গত ১৫ই জুন সোমবারের বোমা হামলায় কমপক্ষে ২৩ জন নিহত হবার পর দেশটিতে বোরকা পরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ধর্মীয় নেতাদের সাথে বৈঠকের পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী কালজেবুয়ে পাহিমী দুবেত এই ঘোষণা দেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় চাদের রাস্তা-ঘাটে প্রকাশ্যে বোরকা পরা যাবে না। এমনকি নিজেদের বাড়ি ঘরেও বোরকা পরা যাবে না। প্রধানমন্ত্রী এ আত্মঘাতী হামলার জন্য নাইজেরীয় চরমপন্থী গ্রুপ বোকো হারামকে দায়ী করেন। ধরা পড়ে যাওয়া ঠেকাতে বোকো হারাম এখন নারী আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীদের বেশী ব্যবহার করছে। আরো ঘোষণা দেওয়া হয়েছে যে, এখন থেকে সরকারের নিরাপত্তা বাহিনী বাজারে যত বোরকা ও নেকাব আছে তা আগুনে পুড়িয়ে ফেলবে। চাদের বেশিরভাগ মানুষ মুসলমান এবং প্রধানতঃ ধর্মীয় কারণেই সেখানে বোরকা পরা হয়। বোরকার কারণে সাহারার তপ্ত ও ধূলিময় আবহাওয়া থেকেও রক্ষা পান নারীরা।

[হতভাগা সরকার চরমপন্থী দমনে ব্যর্থ হয়ে এখন বোরকার উপর হামলা চালাচ্ছে। এখন ওরা আসমানী গযবে ধ্বংস হবে (স.স.)]

নিগৃহীত উইঘুর মুসলমানদের জন্য তুরস্কের দরজা খোলা

-তুর্কী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

চীনে নিগৃহীত হয়ে যেসব সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলমান অভিবাসী তুরস্কে আসবে তাদের জন্য তুরস্কের দরজা খোলা রয়েছে বলে গত ৩রা জুলাই শুক্রবার তুরস্ক অঙ্গীকার করেছে। তুর্কী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তানজু বিলজিক জানান আঙ্কারা সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক বন্ড হিসেবে উইঘুর ভাইদের স্বাগত জানাতে প্রস্ত্তত। তাদের জন্য তুরস্কের দরজা সব সময় খোলা রয়েছে বলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান। চীনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে প্রায় দুই কোটি উইঘুর মুসলমান। এর পশ্চিমে জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসকারী উইঘুরদের সাথে তুর্কীদের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বিষয়ে মিল রয়েছে, যা তুর্কিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলমানদের উপর বহুদিন থেকে নানাবিধ অত্যাচার চালিয়ে আসছে চীন সরকার। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও তাদের ছিয়াম রাখার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে চীনা কমিউনিস্ট সরকার।

[চীনা নাস্তিক্যবাদের বিরুদ্ধে ইসলামী নৈতিকতাবাদ নিঃসন্দেহে একটি অদমনীয় চ্যালেঞ্জ। আদর্শিকভাবে যাকে মুকাবিলা করার ক্ষমতা চীন সরকারের নেই। তাই পশুবৎ অত্যাচার চালিয়ে মুসলমানদের নিশ্চিহ্ন করতে চাচ্ছে। যা তাদের পক্ষে কখনই সম্ভব হবে না। বরং তাদের বড়ত্বের অহংকার অচিরেই শেষ হবে। যেমন শেষ হয়েছিল কা‘বা অভিযানকারী আবরাহা বাহিনী (স.স.)]