সংগঠন সংবাদ


আন্দোলন

আন্দোলন

 

‘নতুন আহলেহাদীছ’ সংবর্ধনা সভা
 বংশাল, ঢাকা ২৫ জুন শনিবার : অদ্য বাদ মাগরিব ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’ ঢাকা যেলার উদ্যোগে বংশালস্থ যেলা কার্যালয়ে এক সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। যেলা ‘আন্দোলন’-এর সভাপতি মাওলানা আমানুল্লাহ বিন ইসমাঈল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’-এর মুহতারাম আমীরে জামা‘আত প্রফেসর ডঃ মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব। অনুষ্ঠানে আলোচনা পেশ করেন যেলা ‘আন্দোলন’-এর সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ তাসলীম সরকার, যেলা ‘যুবসংঘ’-এর সাবেক সভাপতি জনাব মুহাম্মাদ আহসান। নতুন আহলেহাদীছগণের মধ্য থেকে বক্তব্য পেশ ঢাকার লালবাগ থানাধীন কামরাঙ্গীরচরের বাসিন্দা মুফতী মীযানুর রহমান, কবি হারূন আল-রশীদ ও আরও কয়েকজন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন যেলা ‘আন্দোলন’-এর অর্থ সম্পাদক কাযী হারূণুর রশীদ। সভায় যেলা ‘আন্দোলন’ ও ‘যুবসংঘ’-এর দায়িত্বশীলবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ২৫ জন নতুন ভাইকে সংগঠনের বিভিন্ন বই উপহার দেওয়া হয়।
 রামাযানের প্রস্ত্ততিমূলক আলোচনা সভা
 নওদাপাড়া, রাজশাহী ২৯ জুলাই শুক্রবার : অদ্য বাদ মাগরিব রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়া বাজারে ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’ নওদাপাড়া এলাকা এবং নওদাপাড়া বাজার কমিটির যৌথ উদ্যোগে রামাযানের প্রস্ত্ততিমূলক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাজার কমিটির সভাপতি জনাব সাহেব আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’-এর প্রচার ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক ডঃ মুহাম্মাদ সাখাওয়াত হোসাইন, বিশেষ অতিথি ছিলেন ‘বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুবসংঘ’-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি মুযাফফর বিন মুহসিন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নওদাপাড়া বাজার মসজিদের ইমাম সোহাইল রানা প্রমুখ। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে পবিত্র রামাযানের সম্মানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা, ভেজাল না দেওয়া এবং অন্যান্য মাসের চেয়ে অন্তত ২% লাভ কম করার জন্য জোরালো আহবান জানান। এ সময়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ‘আন্দোলন’-এর রামাযানের আহবান শীর্ষক প্রচারপত্র বিলি করা হয়। অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন নওদাপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী ও রাজশাহী মহানগর ‘যুবসংঘে’র প্রচার সম্পাদক আব্দুল মালেক, নওদাপাড়া বাজার শাখা ‘যুবসংঘে’র সভাপতি ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সালমান ফারেসী ও বাজার কমিটির সেক্রেটারী জনাব আব্দুস সাত্তার। উল্লেখ্য যে, ‘নওদাপাড়া বাজার ছাড়াও পার্শ্ববর্তী শালবাগান, বায়া ও নওহাটা বাজারে ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে রামাযানের আহবান শীর্ষক লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং এই মাসে ২% লাভ কম করার আহবান জানানো হয়।
এ ধরনের বক্তব্য চরম ধৃষ্টতাপূর্ণ
-মুহতারাম আমীরে জামা‘আত
সম্প্রতি নরসিংদীতে এক অনুষ্ঠানে ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজিউদ্দিন রাজু মহিলাদের বোরক্বাকে ব্যঙ্গ করে প্রদত্ত বক্তব্য এবং মহানবী (ছাঃ) সম্পর্কে টুঙ্গিপাড়া জিটি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শঙ্করের ঔদ্ধত্যপূর্ণ ব্যঙ্গোক্তিকে চরম ধৃষ্টতাপূর্ণ আখ্যায়িত করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’-এর মুহতারাম আমীরে জামা‘আত প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, হিযাব বা পর্দা হচ্ছে নারী মর্যাদার রক্ষাকবচ। নারীর ইযযত ও সম্ভ্রম রক্ষা করা একমাত্র পর্দা ব্যবস্থা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমেই সম্ভব। আর পর্দাহীনতার মাধ্যমে একদিকে যেমন সমাজে বেলেল্লাপনা বৃদ্ধি পায় তেমনি নারী নির্যাতন, নারী ধর্ষণ ও ইভটিজিংয়ের মত জঘন্য কর্ম অহর্নিশ বৃদ্ধি পায়। ফলে সমাজদেহ কলুষিত হয়ে পড়ে। তিনি বলেন, মুসলিম রমনীদের বোরক্বা পরিধানের বিধান ইসলামের শাশ্বত বিধান। এটি সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত। বোরক্বাকে কটুক্তি করার অর্থ আল্লাহর বিধানকে কটুক্তি করা। যার পরিণাম ফল শুভ নয়। তিনি মন্ত্রীর উক্ত বক্তব্যের জন্য জাতির নিকটে ক্ষমা প্রার্থনার আহবান জানান এবং মহানবী (ছাঃ) সম্পর্কে কটুক্তিকারী শিক্ষক শঙ্করের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।
 

 

যুবসংঘ

  

কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ
রাজশাহী ১৪, ১৫ জুলাই বৃহস্পতি ও শুক্রবার : গত ১৪ জুলাই বৃহস্পতিবার বাদ ফজর আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহীতে ‘বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুবসংঘ’-এর উদ্যোগে যেলা দায়িত্বশীলদের নিয়ে দুইদিন ব্যাপী কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ শুরু হয়। ‘যুবসংঘ’-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি মুযাফফর বিন মুহসিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’-এর মুহতারাম আমীরে জামা‘আত প্রফেসর ডঃ মুহাম্মাদ আসাদুল্ল­াহ আল-গালিব। দুই দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণে বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান করেন ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’-এর যুববিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক আমীনুল ইসলাম, প্রচার ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক ডঃ মুহাম্মাদ সাখাওয়াত হোসাইন, ‘যুবসংঘ’-এর সাবেক কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ‘আন্দোলন’-এর শূরা সদস্য শেখ মুহাম্মাদ রফীকুল ইসলাম, ‘যুবসংঘ’-এর সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. এস.এস.এম. আযীযুল্লাহ ও ড. মুহাম্মাদ কাবীরুল ইসলাম, আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী নওদাপাড়ার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ, ‘যুবসংঘ’-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি মুযাফফর বিন মুহসিন, সহ-সভাপতি নূরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আহমাদ আব্দুল্লাহ ছাকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রশীদ আখতার, অর্থ সম্পাদক আরীফুল ইসলাম, তাবলীগ সম্পাদক আব্দুল হালীম প্রমুখ। দুই পর্বে অনুষ্ঠিত উক্ত প্রশিক্ষণের প্রথম পর্বে ১৪টি যেলার দায়িত্বশীলগণ অংশগ্রহণ করেন। বৃহস্পতিবার বাদ ফজর শুরু হয়ে শুক্রবার জুম‘আর পূর্ব পর্যন্ত প্রশিক্ষণ চলে।

মতবিনিময় সভা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া ২০ জুলাই বুধবার : অদ্য দুপুর ১২-টায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে ‘বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুবসংঘ’ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বশীলদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ‘যুবসংঘ’-এর সহ-সভাপতি হাসান আল-মাহমূদ লিওন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ‘যুবসংঘ’-এর সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. এ.এস.এম. আযীযুল্লাহ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ‘যুবসংঘ’-এর সাধারণ সম্পাদক আবু ছালেহ, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম ইসলাম, অর্থ সম্পাদক যিয়াউর রহমান, দফতর সম্পাদক সালেকুর রহমান প্রমুখ। প্রধান অতিথি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠনের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ-খবর নেন এবং দাওয়াতী কাজ আরও জোরদার করার পরামর্শ দেন।
মাহে রামাযান উপলক্ষে র‌্যালী
বগুড়া ৩০শে জুলাই শনিবার : অদ্য বিকাল ৩-টায় ‘সোনামণি’ বগুড়া যেলার উদ্যোগে পবিত্র মাহে রামাযান উপলক্ষে যেলা শহরে এক র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়। যেলা ‘আন্দোলন’-এর সভাপতি মুহাম্মাদ আব্দুর রহীম-এর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত র‌্যালীতে প্রায় ৩ শতাধিক সোনামণি অংশগ্রহণ করে। র‌্যালীটি বগুড়া শহরের আলতাফুননেসা খেলার মাঠ থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সাত মাথায় এসে এক পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়। পথসভায় বক্তব্য রাখেন যেলা ‘যুবসংঘে’র সভাপতি মুহাম্মাদ আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর ছিদ্দীক প্রমুখ। র‌্যালীতে সোনামণিরা ‘মাহে রামাযানের পবিত্রতা রক্ষা করুন’ ‘দিনের বেলা হোটেল-রেসেঁতারা বন্ধ রাখুন’ ইত্যাদি শ্লোগান সম্বলিত ফেসটুন বহন করে।

বিগত সরকার কর্তৃক দায়েরকৃত আরও দু’টি মিথ্যা মামলায় আমীরে জামা‘আত বেকসুর খালাস

১. নওগাঁ যেলার রাণীনগর থানায় ২৮/০৫/২০০৪ তারিখে দায়েরকৃত চাঞ্চল্যকর খেজুর আলী হত্যা মামলায় বাদীনী কর্তৃক পরপর দু’বার নারাযী দেবার পর তৃতীয়বার তদন্তে মুহতারাম আমীরে জামা‘আত প্রফেসর ডঃ মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব, আব্দুছ ছামাদ সালাফী, অধ্যাপক নূরুল ইসলাম ও এ, এস, এম, আযীযুল্লাহ অব্যাহতি প্রাপ্ত হন এবং গত ০৫/০৭/২০১১ তারিখে নওগাঁ যেলা ও দায়রা জজ আদালত তাঁদেরকে বেকসুর খালাস বলে রায় দেন। ফালিল্লা-হিল হাম্দ।
২. বগুড়া যেলার শাহজাহানপুর থানায় ১৫/০১/২০০৫ তারিখে দায়েরকৃত লক্ষ্মীকোলা গানের প্যান্ডেলে বোমা হামলা মামলায় দীর্ঘ সাড়ে ৬ বছর ধরে তদন্ত ও বিচার চলার পর গত ৩১/০৭/২০১১ তারিখে বগুড়ার অতিরিক্ত যেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক মুহতারাম আমীরে জামা‘আতকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন। ফালিল্লা-হিল হাম্দ। উল্লেখ্য যে, এযাবত ৯টি মামলায় তিনি খালাস পেয়েছেন। আর মাত্র ১টি হত্যা মামলা বগুড়ায় বাকী রয়েছে।